এটা আমার প্রথম ব্লগ, ব্লগের দুনিয়ায় আমার এই প্রথম আসা। জানি না কেমন হবে, কিন্তু সবাই পাশে থাকলে যাত্রাপথটা ভালোই হবে আশা করি।
ডি লা গ্র্যাণ্ডি মেফিস্টোফিলিস- ইয়াক ইয়াক (শেষ কিস্তি)
আজ আমি আবার শোনাব নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘টেনিদা সমগ্র’ থেকে টেনিদার শেষ ১১টি গল্প। আর যারা আমার ব্লগ-এ নতুন, তাঁদের জন্য বলি, এই গল্পগুলোর কিছু কিছু বৈশিষ্ট্য আছে। এর মধ্যে বেশির ভাগ গল্প টেনিদার স্বকপোলকল্পিত, আর কিছু গল্প হল ঘটনার বিবরণ। আর টেনিদার বলা গল্পগুলো বেশির ভাগ তৈরি হয়েছে চারমূর্তির আদত ঠেক-এ, অর্থাৎ চাটুজ্যেদের রকে। আর বাকি গল্পের জন্ম অন্যান্য জায়গায় । কোনো কোনো গল্পে কিন্তু হাবুলের মুখে ঢাকাই ভাষা নয়, খাঁটি চলিত ভাষাই রয়েছে। আর কিছু কিছু গল্প টেনিদা বলেছে কেবল প্যালাকে আর অন্যান্য গল্পগুলো তিনজনকে একসাথেই বলেছে । আর হ্যাঁ , টেনিদার পেট থেকে গল্প বের করতে গেলে , ডালমুট , তেলেভাজা অর্থাৎ কিছু খাদ্যদ্রব্য ভেট দিতে হয় বইকি । আরেকটা কথা বলে দিই যেটা আগের ব্লগে বলি নি , সেটা হল প্রায় প্রতিটা গল্পেই টেনিদার কোনো না কোনো মামার উদাহরণ চলেই আসে । আর হ্যাঁ , এই পর্বের গল্পগুলো পড়ে আমার মনে হয়েছে যে , টেনিদা কিন্তু তার শাগরেদদের মধ্যে প্যালাকে একটু বেশি ভালবাসে । অনেক কথা বলে ফেললাম । আর দেরি না করে শুরুই করে দিচ্ছি। ১) ব্রহ্মবিকাশের দন্তবিকাশ- এই পৃথি...
Comments
Post a Comment