আজ আমি আবার শোনাব নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘টেনিদা সমগ্র’ থেকে টেনিদার শেষ ১১টি গল্প। আর যারা আমার ব্লগ-এ নতুন, তাঁদের জন্য বলি, এই গল্পগুলোর কিছু কিছু বৈশিষ্ট্য আছে। এর মধ্যে বেশির ভাগ গল্প টেনিদার স্বকপোলকল্পিত, আর কিছু গল্প হল ঘটনার বিবরণ। আর টেনিদার বলা গল্পগুলো বেশির ভাগ তৈরি হয়েছে চারমূর্তির আদত ঠেক-এ, অর্থাৎ চাটুজ্যেদের রকে। আর বাকি গল্পের জন্ম অন্যান্য জায়গায় । কোনো কোনো গল্পে কিন্তু হাবুলের মুখে ঢাকাই ভাষা নয়, খাঁটি চলিত ভাষাই রয়েছে। আর কিছু কিছু গল্প টেনিদা বলেছে কেবল প্যালাকে আর অন্যান্য গল্পগুলো তিনজনকে একসাথেই বলেছে । আর হ্যাঁ , টেনিদার পেট থেকে গল্প বের করতে গেলে , ডালমুট , তেলেভাজা অর্থাৎ কিছু খাদ্যদ্রব্য ভেট দিতে হয় বইকি । আরেকটা কথা বলে দিই যেটা আগের ব্লগে বলি নি , সেটা হল প্রায় প্রতিটা গল্পেই টেনিদার কোনো না কোনো মামার উদাহরণ চলেই আসে । আর হ্যাঁ , এই পর্বের গল্পগুলো পড়ে আমার মনে হয়েছে যে , টেনিদা কিন্তু তার শাগরেদদের মধ্যে প্যালাকে একটু বেশি ভালবাসে । অনেক কথা বলে ফেললাম । আর দেরি না করে শুরুই করে দিচ্ছি। ১) ব্রহ্মবিকাশের দন্তবিকাশ- এই পৃথি...
প্রথমেই ব্লগ দিতে দেরি করার জন্য ক্ষমা চাইছি। আজ আমি নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘টেনিদা সমগ্র’ থেকে টেনিদা সংক্রান্ত গল্পগুলোর কথা বলব । টেনিদা সমগ্রতে মোট ৩৩ টি গল্প আছে , সেই গল্পগুলিকেই আমি একফ্রেমে ধরারই চেষ্টা করব । কারণ , টেনিদার গল্প তো , এক এক দিন একেকটা করে বলতে গেলে ৩৩ রজনী পরেও শেষ হবে না , তার রেশ এমনই দীর্ঘস্থায়ী । তাই আমি তিন কিস্তিতে গল্পগুলো বলব। এই গল্পগুলোর কিছু কিছু বৈশিষ্ট্য আছে। এর মধ্যে বেশির ভাগ গল্প টেনিদার স্বকপোলকল্পিত, আর কিছু গল্প হল ঘটনার বিবরণ। আর টেনিদার বলা গল্পগুলো বেশির ভাগ তৈরি হয়েছে চারমূর্তির আদত ঠেক-এ, অর্থাৎ চাটুজ্যেদের রকে। আর বাকি গল্পের জন্ম অন্যান্য জায়গায় । কোনো কোনো গল্পে কিন্তু হাবুলের মুখে ঢাকাই ভাষা নয়, খাঁটি চলিত ভাষাই রয়েছে। আর কিছু কিছু গল্প টেনিদা বলেছে কেবল প্যালাকে আর অন্যান্য গল্পগুলো তিনজনকে একসাথেই বলেছে । আর হ্যাঁ, টেনিদার পেট থেকে গল্প বের করতে গেলে, ডালমুট, তেলেভাজা অর্থাৎ কিছু খাদ্যদ্রব্য ভেট দিতে হয় বইকি। অনেক গৌরচন্দ্রিকা হয়ে গেল , এবার আসল কথায় আসি । আজ প্রথম কিস্তি । ...
টিউলিপের বাগান, শিকারা আর ডাল লেক- বললেই কার কথা সবার আগে মনে পড়ে? হ্যাঁ ঠিক ধরেছেন- এসব শুনলেই মনে পড়ে কাশ্মীরের কথা। আরো ভাল করে বলতে গেলে ভূস্বর্গ কাশ্মীরের কথা । যেখানে একদিকে ভয়ঙ্কর , আরেকদিকে সুন্দর । একদিকে সংঘর্ষের দামামা আর একদিকে দিগন্তবিস্তৃত সবুজ পাহাড়ের হাতছানি । কী অদ্ভুত বৈপরীত্য , না ? আমরা সারাক্ষণ কাশ্মীর নিয়ে কাটাছেঁড়া করি , কাশ্মীরের অশান্তির জন্য ভারত দায়ী না পাকিস্তান দায়ী , তাই নিয়ে মতামত দিয়ে থাকি । অহরহ কাশ্মীরের জনগণকে দোষ দিয়ে থাকি । কিন্তু আমরা হয়তো কেবল কাশ্মীরের অশান্ত দিকটাই দেখতে পাই , কাশ্মীরের সাংস্কৃতিক দিক আমাদের নজরেই পড়ে না । যেখানে রয়েছে ‘ কাশ্মীরী ছোটগল্প ’- এর মতো মণিমুক্তো । কাশ্মীরের প্রগতিবাদী আন্দোলন থেকেই জন্ম নিয়েছিল এই ছোটগল্প । উর্দু গল্পলেখকেরা মানুষের কাছে পৌঁছানোর জন্য আর জাতীয়তাবোধের তাগিদেই কাশ্মীরী ভাষায় ছোটগল্প লিখতে শুরু করেন। আর চারপাশের পরিবর্তিত মূল্যবোধ ও অনিশ্চয়তাকে লেখার মাধ্যমে সকলের সামনে তুলে ধরেছেন। সেইরকমই বিভিন্ন কাশ্মীরী লেখকের লেখা ১৭টি গল্প নিয়ে হৃদয় কউল ভারতী সংকলিত এবং পৃথ্বীশ সাহা অনূদিত ‘সাম্প্রতিক কাশ্...
Comments
Post a Comment